The Reality Behind Hijra – নপুংসক সমাজে হিজড়া – Priyanka B

নপুংসক সমাজে হিজড়া

নপুংসক সমাজে হিজড়া

“ এই বোন কিছু দিয়ে যাবিনা ?”,

“এই সুন্দরী এত সেজেছিস, কিছু দে!”

অথবা

“এই শাহরুখ খান, দিয়ে যা কিছু, ভালো বউ পাবি!!” –

কোলকাতা লোকাল ট্রেনে হিজড়া
কোলকাতা লোকাল ট্রেনে হিজড়া

এমন আবদার কোলকাতার ট্রাফিক সিগনালে, ট্রেনে, ট্রামে বেড়েই চলেছে। যারা এই আবদার করছেন তারা শরীরে আমার আপনার চেয়ে বরং বেশি শক্ত সমর্থ । কোন কালো বেআইনি সংগঠন – কানা, খোঁড়া, বিকলাঙ্গ করে তাঁদের রাস্তায় ছেড়ে দেয়নি । কারণ আমাদের মত দয়ালু মানুষদের দয়া-ভিক্ষা পেতে তাঁদের বিকলাঙ্গ হওয়ার প্রয়োজন নেই ; তাদের পুরুষদেহে মেয়েমানুষের সাজপোশাক, ভঙ্গিমা আমাদের ভিক্ষা দিতে বাধ্য করে । আমরা বিরক্ত হই না এই ভেবে যে কেন তারা খেটে খায় না , কোথাও কেন কাজ করে না যখন তারা রীতিমত শক্ত সমর্থ মানুষ । আমরা এমন ভাবিনা কারণ আমরা এই দু’পেয়ে অর্ধেক নারী-পুরুষ দেহীদের মানুষই ভাবি না, আমরা জানি আমরা এদের কোথাও কাজে নেব না, আমাদের ঘরে ঠাঁই দেব না; এদের অপরাধ এরা হিজড়া ।

৩৭৭ ধারা আইনের বিরুদ্ধে মুম্বাই-এ একটুকরো প্রতিবাদ
৩৭৭ ধারা আইনের বিরুদ্ধে মুম্বাই-এ একটুকরো প্রতিবাদ

সরকার, সমাজ এই মুষ্ঠীমেয় হিজড়া গোষ্ঠির জন্য কি করেছে বা করছে সে কথা না হয় পরে ভাববো । আগে আমাদের নিজেদের শিক্ষিত বিবেক গুলোকে জিগ্যেস করি । এক পাল মানুষ যারা বিকলাঙ্গ নয়, অসুস্থ মস্তিষ্কের নয়, অপরাধপ্রবণ নয় তাদের কেন আমরা মানুষ বলেই গণ্য করি না !! আমার মায়ের পেটের সন্তান, কোন এক মানুষীর পেটের সন্তান, জন্মেছে কিছু  ক্রোমোজোম ও যৌন হরমোনের ব্যতিক্রম নিয়ে। আর কোন অসুবিধা নেই তার, অসুবিধা শুধু তার যৌন জীবনে, তাই তাকে আমরা নামানুষই শুধু করিনি করে দিয়েছি ভীন গ্রহের অচেনা অজানা কোন প্রাণী, যার কাছ থেকে কিছু পয়সার বিনিময়ে আশির্বাদ নেওয়া যায়, যার কাছ থেকে অভিশপ্ত হওয়ার ভয় থাকে । কিন্তু এমন একজন না পুরুষ না নারীকে বন্ধু, সন্তান, ভাই, বোন এমনকি সহকর্মিও করা যায় না । তবে হ্যাঁ , এমন নামানুষদের কাছে মানুষদের পয়সার বিনিময়ে অথবা বিনি পয়সায় যৌন জীবনের স্বাদ আহ্লাদ মেটাতে কিন্তু অনীহা নেই ।হিজড়া-অনুষ্ঠান

২০১৫ সাল থেকে ভিখারী হিজড়াদের সংখ্যা হঠাৎ করে কলকাতার রাস্তায় – ট্রেনে বেড়ে ওঠার পেছোনের কারন নিয়ে টাইমস অফ ইন্ডিয়া একটি প্রতিবেদন পেশ করে ; তাতে জানা যায় কিছু এনজীও – হিজড়া, রূপান্তরকামীদের স্বাস্থ্য সচেতনতা, কর্ম নিয়োগ ও নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করার দায়িত্ব পান রাজ্যসরকারের সমাজকল্যান দপ্তর থেকে । কিন্তু আমাদের দেশে কোন শুভ কাজই যেমন সার্থান্বেষী হাঘরে মানুষদের কল্যাণে পরিণতি পায়না । এই কাজও পরিণতি পায়নি সারকার থেকে পাওয়া টাকার অশেষ নয়ছয় হওয়ায় । এনজীওগুলি পর্যাপ্ত অর্থের অভাবে হাততুলে নেয় । এসব এনজীওগুলোতে যেসব হিজড়া ও রূপান্তরকামীরা নিযুক্ত হয়েছিলেন তারা আবার কর্মহারা হয়ে পরেন । তারা তাদের চিরাচরিত হাততালি শক্তিকে কাজে লাগিয়ে কেউ রাস্তায় নেমে পড়েন হিজড়া হওয়ার তোলা আদায় করতে, কেউ বিহারে চলে যান শিশু-নাচানোর প্রাচীন পেশায় ।

ভারতীয়-এইচআইভি-এইডস-অ্যালায়েন্স-আভিনা-আহের-সংগঠনের-প্রজেক্ট-ম্যানেজার
ভারতীয় এইচআইভি এইডস অ্যালায়েন্স আভিনা আহের সংগঠনের প্রজেক্ট ম্যানেজার । সংসদে ২০১১ সালের তৎকালীন প্রাধানমন্ত্রী শ্রী মনমোহন সিং-এর বক্তৃতা শুনছেন – প্রকাশ সিং/এফপি/গেটি ছবি সংকলন

ভিখারি বৃত্তি না হয় অতি প্রাচীন একটি পেশা, যে পেশা সংসার-ভোগ-মায়া ত্যাগীদের দ্বারা প্রথম সূচীত হয়েছিল । তারপর কালের নিয়মে স্বার্থান্বেষী অসাধু লোকেদের হাতে পরে এই পেশা কালো জগতের একটি স্বচ্ছল পেশায় পরিণতি পায় । এখবর আমরা ইঁদুর দৌড়ের সংগ্রাম-কারিরা জানিনা । কিন্তু ইঁদুর দৌড়ে প্রতিষ্ঠিত নেতা মন্ত্রীরা নিশ্চয় জানেন । জানেন বলে বাংলাদেশ এবং আমাদের দেশের কিছু রাজ্যে এই বৃত্তি রদ করার চেষ্টা করা হয়েছে আইন প্রণয়নের মাধ্যমে যা কোন এক প্রতিকূল অমোঘ শক্তিবলে অন্য আইনগুলোর মত বলবৎ হতে পারেনি । সুতরাং এমন একটি সহজ পেশাকে অবলম্বন করে সমাজে বঞ্চিত হিজড়াদেরও পথে ঘাটে নামিয়ে দিল তাদের ‘গুরুমা’ । ‘গুরুমা’র অবস্থান বাঈজী বাড়ির ‘গুরুমা’ ধারণার সঙ্গে মিল আছে । লক্ষ্ণৌয়ের বাইজী সম্প্রদায়ে অন্তর্ভুক্তির সময় যেমন মেয়েদের তালিম ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় বিদ্যায় কুশলী করা হত বা হয়, এক্ষেত্রেও একই প্রথার প্রচলন আছে ।

নপুংসক_সমাজে_হিজড়া
নপুংসক সমাজে হিজড়া

ভারতবর্ষে  কিছু হিজড়া সম্প্রদায়ে নতুন সদস্যকে অন্তর্ভুক্ত করার সময় তাকে ‘নির্বাণ’ নামক একটি আচার পালন করানো হয়, যেখানে শিশ্ন, শুক্রথলি এবং শুক্রাশয় অপসারণ করা হয় । দুঃখের বিষয় সমাজ এমন একটি সম্প্রদায় গড়ে ওঠার ইন্ধন জুগিয়েই নিজেকে পাপমুক্ত করে ফেলেছে, তারপর না সমাজ না সরকার এঁদের আদমশুমারিতে সংযোজন করেছে না কোন প্রতিষ্ঠিত কর্মসংস্থানে যুক্ত করেছে ; আদমশুমারির মত প্রয়োজনীয় গণনায় কুকুর, ছাগল অবশ্যই বাঘ ভাল্লুক সবাই স্থান পায়, স্থান পায়না হিজড়া সম্প্রদায় । এঁরা পুরুষ অথবা নারী গণনায় জুড়ে যান । তাই আলাদা করে বলা সম্ভব নয় গোটা দেশে এঁরা সংখ্যায় কত ।

হিদার-কাসিলস
হিদার কাসিলস

এছাড়া হিজড়া গণনার পেছনে কিছু সংশয়ও থেকে গেছে । সেটি হল হিজড়াদের সঠিক নির্বাচন । এঁদের ক্রোমোজোম ও যৌন হরমোনের বৈচিত্র্যের কারণে যৌনাঙ্গের ও যৌনতা প্রকাশের বিভিন্নতা দেখা যায় । এবং বর্তমানে অবসম্ভাবি ভাবে এই শারীরিক গোপনীয়তাকে ব্যাবহার করে অনেক লোকঠকানো হিজড়ার সংখ্যাও বেড়েছে । যেখানে পর্যবেক্ষনমূলক গবেষনায় জানা যাচ্ছে কিছু মানুষ সহজ উপার্জনের উদ্দ্যেশে দিনে সব্জি বিক্রি করছেন রাতে পুরুষদেহে নারী পোশাক চাপিয়ে চলে আসছেন শহরে ভিক্ষা করতে । তার পরিবার তার এই বৃত্তির কথা জানেনও । সব্জি বিক্রেতা একটি উদাহরণ মাত্র । এই ছলনার আসল জগৎ হয়তো আরো বিস্তৃত, তথাকথিত প্রধান সমাজ উদাসীন থাকলে এই ছলনা বৃত্তির আরো ব্যাপ্তি ঘটবে সন্দেহ নেই।hiras_buckle-675x300

হিজড়া সম্প্রদায়ে শুভ অনুষ্ঠানে নাচ-গান করার বৃত্তিটি সম্মানীয় । এঁরা গোষ্ঠীবদ্ধ হয়ে ঢোল নিয়ে নবজাতকের বা নবজাতিকার বাড়ী চলে আসেন, নাচ-গানে বাড়ীর কর্তা-কর্তৃদের খুশি করে মোটা প্রণামী আদায় করেন । এটিই এই সম্প্রদায়ের প্রাচীন ও প্রধান বৃত্তি । এই প্রথাটির বিশ্লেষণ ও ইতিহাস ঘাটলেই বোঝা যাবে, সমাজের গালে এই বৃত্তি একটি সপাটে চরম চড় ছাড়া কিছু নয় । সন্তানের জন্মের পর জানতে পারছি সে সন্তান জাগতিক চেনা ছকে জন্মায়নি ! সে বংশ বিস্তারে অক্ষম, তাকে জ্ঞান হওয়ার আগেই ত্যাগ করছি ধর্মের ষাঁড় করে। সে বড় হয়ে উঠছে তারই মত ঘর হারাদের সঙ্গে; ফিরে আসছে ঢোল গলায় ঝুলিয়ে, হাততালি দিতে দিতে হয়তো তার মায়ের আঙিনায়, কেননা তার মায়ের কোল আলো করে এখন কোনো পুত্র নবজাতক বা কন্যা নবজাতিক যে বংশবিস্তার করবে ! নবজাতক-নবজাতিকাকে আশির্বাদ করে ফিরে যাচ্ছে হাত পেতে কিছু প্রণামী নিয়ে । তার পরিবারের কাছে এটুকুই তার প্রাপ্তি ।

তথাকথিত সুস্থ পরিবারেই হিজড়ারা জন্মান, কারণ হিজড়াদের ঘরে এদের জন্ম সম্ভব নয় । “হিজড়া” শব্দটি একটি উর্দু শব্দ, যা সেমেটিক আরবি ধাতুমূল হিজর থেকে এসেছে । যার অর্থ  “গোত্র হতে পরিত্যাক্ত“। এমন এক যুগ ছিল যখন ব্যাখ্যার অতীত কিছু দেখলে মানুষ সেটা ভগবানের আশীর্বাদ বা ক্ষোভ হিসেবে মেনে নিত । কোন কোন ধর্মে হিজড়া তাই ভগবানের আশীর্বাদ । ভগবান যাকে চেয়েছেন পুত্র বা কন্যা দিয়েছেন যাকে চেয়েছেন একই দেহে পুত্র কন্যা দিয়েছেন । মহাভারতের যুগেও আমরা অর্জুনের নপুংশক নৃত্য শিক্ষক হিসেবে রাজদরবারে সম্মানিত হতে দেখি । এরপর যুগ যত এগিয়ে চলে সমাজ তত অস্তীত্ব সংকোটে ভুগতে থাকে, নইলে নিজের সন্তান চেনা ছকের আচার ব্যাবহার থেকে সামান্য সরে আছে বুঝে কিভাবে তাকে ত্যাগ করতে পারি; যখন সে সন্তান নিজেকে নিয়ে নিজেই শঙ্কিত, বিব্রত তখন তার পাশে না থেকে কি করে একা করে দিতে পারি, কি করে তাকে পরিবারের স্নেহ মমতা থেকে বঞ্চিত করতে পারি ।

দেবরাজ ইন্দ্রের হাজার যোনি দেবতাদের অনুরোধ অথবা আপত্তিতে চক্ষুরূপে আত্মপ্রকাশ
দেবরাজ ইন্দ্রের হাজার যোনি দেবতাদের অনুরোধ অথবা আপত্তিতে চক্ষুরূপে আত্মপ্রকাশ

পরিবার যখন সন্তানের পুরুষদেহে নারীর অথবা নারীদেহে পুরুষ প্রকাশ ও ব্যবহারে বিব্রত, বিরক্ত, লজ্জিত, ক্রোধিত তখন ‘হিজড়া’ সমাজের জন্ম হয়। আর এই হিজড়া সমাজের উদ্ভবের পর অনেককাল প্রধান সমাজ হিজড়াদের একরকম অপরাধী সমাজ হিসেবে সরিয়ে রেখে আত্মস্মমান রক্ষা করে । ‘হিজড়া’রা কিন্তু অহিংস পথ অবলম্বন করতেবাহুচারা মাতা’-র পূজারী হয়ে ওঠে । এই মাতার মন্দির গুজরাতে ।

গুজরাতের_বহুচারা_মাতা _মন্দির
গুজরাতের বহুচারা মাতা মন্দির

অনেক মন্দিরে হিজড়া সম্প্রদায় দেবদাসী হয়ে সেবা করেন দেবতার এবং প্রধান পুরোহিতের । কথিত আছে ‘বাহুচারা মাতা’ চড়ন বপল ও দেথ-এর কামনায় জন্মগ্রহণ করেন; একবার মাতা তার পরিবারের সঙ্গে ভ্রমণে বেড়োলে কিছু দস্যুর দ্বারা বাধাপ্রাপ্ত হন এবং লাঞ্ছনার হাত থেকে নিষ্কৃতি পেতে নিজের স্তনযুগল তরবারির আঘাতে ছিন্ন করে প্রবল রক্তপাতে মৃত্যু বরণ করেন ।

বহুচারা_মাতা
বহুচারা মাতা

চড়ন সেই লজ্জা ও দেবীকে রক্ষা করতে না পারার অপারগতা থেকে নিজের পুরুষাঙ্গ কেটে নপুংসক হয়ে যান । আত্মসম্মানী, অহিংসক এই দেবীর পূজারী ‘হিজড়া’ সম্প্রদায় । এছাড়া উত্তর ভারতে হিজড়ারা শিবের উপাসক । শিবের ‘অর্ধনারীশ্বর’ রূপকে শক্তি হিসেবে হিজড়া-রা মান্য করেন। শক্তিরুপেন ‘কালী’মাতার পুজাও এরা কোথাও কোথাও অঞ্চল ভেদে করে থাকেন।

অর্ধনারীশ্বর_শক্তি
অর্ধনারীশ্বর শক্তি

স্বীকৃতি কি এল !

মহাভারতে_অর্জুন
মহাভারতে অর্জুন

বিষয় হল, মানুষের যে অর্ধনারীশ্বর রূপ ‘কামাসুত্র’ রচনার কালেও তৃতীয় প্রকৃতি বা তৃতীয় লিঙ্গ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়ে এসেছে, যুগের নপুংসকাতায় হিজড়াদের সেই তৃতীয় লিঙ্গের স্বীকৃতি পেতে হাজার হাজার বছর পেরিয়ে গেল । এপ্রিল, ২০১৪ – ভারতে ‘হিজড়া’-রা তৃতীয় লিঙ্গ হিসেবে আইনী স্বীকৃতি ও মর্যাদা পান । বক্তব্য অথবা দায়িত্ব এখানেই শেষ হয়ে যায় না । শেষ তখনই হয় যখন এমন উভয়লিঙ্গ মানুষদের পরিবার থেকে আলাদা করে না দেওয়া হবে। যখন এসব অর্ধনারীশ্বররা দেশের জিডীপি-তে অর্থাৎ দেশের অর্থনীতি, রাজনীতি, সমাজনীতিতে অংশগ্রহণ করতে পারবে । অসুবিধা তো সমাজের কিছু নেই। অসুবিধা বরং অনেকবেশি ‘হিজড়া’-দের, তারা সন্তানের মা হতে পারেন না, কারোর স্ত্রী হতে পারেন না জেনেও শাঁখা, সিঁদুর পরার সখ রাখেন। শুধুমাত্র ক্রোমোজমের অচেনা বৈচিত্র্যের কারনে কিছু মানুষকে কি সমাজ থেকে ঘার ধাক্কা দিয়ে বের করা যায়, যখন এই সমাজে ক্যান্সারের মত রোগের ওষুধ বের হচ্ছে, এইচ আইভি পসিটিভ-ও আর ছোঁয়াচে নয় !

বাংলাদেশি_'হিজড়া'_সমাজকর্মী
বাংলাদেশি ‘হিজড়া’ সমাজকর্মী । ২০০৮ সালে প্রথমবার তাঁরা স্থানীয় ভোট দানে অংশ ঘন করতে পারেন – মুনির উজ জামন/এফপি/গেটি ছবি সংকলন

এতকিছু জানার পর অথবা কিছু না জেনেই যদি আমরা অনবরত রাস্তাঘাটে ভিখারিদের হাতে ১০/- টি টাকা বা কিছু কম বেশি এগিয়ে দিতে থাকি এতে অপরাধ কিছু নেই, হয়তো সত্যই কখনো কোন হতদরিদ্র মানুষকে সাহায্য করা হচ্ছে; কিন্তু দুঃখের বিষয় অধিকাংশ সময় আমাদের মত মহান দেশবাসীর মুষ্ঠিমেয় অংশ এই ভিক্ষাকে অপব্যবহার ছাড়া আর কিছু করছে না । এই বক্তব্যের সত্যতা যাচাই করতে খুব বেশি কষ্টসাধ্য গবেষণার প্রয়োজন পড়বে না । কৌতুহলি ব্যক্তি নিয়মিত দু’দিন থেকে খুববেশি সাতদিন পর্যবেক্ষণ করলে নিজেই এর সত্যতা যাচাই করতে পারবেন ।

~ প্রিয়াঙ্কা বি

 

2 thoughts on “The Reality Behind Hijra – নপুংসক সমাজে হিজড়া – Priyanka B

  1. In the present scenario the ideology and information both are correct. It is the duty of all to provide them with some opportunity.

     

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *