GST REGISTRATION IN INDIA – Dipak Ranjan Bhattyachariya

GST REGISTRATION INDIA

Law-বঙ্গ-law-টীকা

দীপকরঞ্জন ভট্টাচার্য

–‘ঢোকার সময়ে দেখলাম আপনার নেমপ্লেটে লেখা, তিস্তা চৌধুরী, ফাইনান্সিয়াল ডিটেকটিভ’ – দু হাতের আঙুলগুলো এমনভাবে ফাঁক করে দুদিকে ছড়িয়ে দেখান ভদ্রলোক, যেন ওর হাতের ফাঁকেই নেমপ্লেটের লেখাগুলো ধরা আছে। তারপর সুর করে বলেন, ‘ অ্যাডভোকেট না, সি এ না, এক্কেবারে ডিটেকটিভ? কী কাণ্ড!’

তিস্তা চৌধুরী, ফিনান্সিয়াল ডিটেকটিভ চরিত্রের মধ্যস্ততায় লেখক চমৎকার গল্পের ছলে জিএসটি-র আইনি প্যাঁচ-পয়জার বুঝিয়ে আসছেন। লেখকের এই পঞ্চম প্রবন্ধ ধারাবাহিকে পাঠক জানতে পারবেন, কিভাবে জিএসটি রেজিস্ট্রেশন করবেন।

চতুর্থ পর্ব

সেক্রেটারি অতনু মাহাত বলেন, ‘বাব্বা, এ যে বজ্র আঁটুনি! রেজিস্ট্রেশন তাহলে তো করাতেই হবে দেখছি। আচ্ছা ম্যাম, আমার এক মক্কেলের বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পাটনা আর দানাপুরে ব্যবসা আছে। কোন রাজ্যে ওদের রেজিস্ট্রেশন নিতে হবে?  একটা রেজিস্ট্রেশনে কি ওদের হয়ে যাবে’?

তিস্তা জিজ্ঞেস করে, ‘আপনার মক্কেলের কী ধরনের ব্যবসা একটু বলবেন’?

-হ্যাঁ ম্যাম। বাঁকুড়া আর পাটনায় এয়ার-কুলার তৈরি করা হয়। পুরুলিয়া আর দানাপুরে কন্সট্রাকশনের ব্যবসা।

– পশ্চিমবঙ্গ আর বিহার, এই দু-রাজ্যেই দুটো করে ব্যবসা চালাচ্ছেন উনি। দুটো রাজ্যেই তাকে রেজিস্ট্রেশন নিতে হবে। ইচ্ছে করলে একটা রাজ্যে একটা  রেজিস্ট্রেশন নিয়েও দুটো ব্যবসা চালাতে পারেন, তাতে অসুবিধা নেই। কিন্তু কমপক্ষে দুটো রেজিস্ট্রেশন আপনার মক্কেলকে নিতেই হবে। একটা পশ্চিমবঙ্গে অন্যটা বিহারে। আবার দুটো রাজ্যেই দুটো করে মোট চারটে রেজিস্ট্রেশন নেওয়া যেতে পারে। যেহেতু আপনার মক্কেলের ব্যবসাটা একরকম নয়। দু-ধরনের। 

-কোনটা নিলে সুবিধা হয় ম্যাম?

GST REGISTRATION INDIA

– অতনুবাবু, আমাকে যদি বলেন আমি রাজ্য-প্রতি একটা করে রেজিস্ট্রেশনের দিকে। আলাদা রেজিস্ট্রেশন মানে আইনের চোখে আলাদা লোক। তাতে অনেক অসুবিধা। কেমন অসুবিধা শুনবেন ? ধরুন এয়ার-কুলার তৈরির ব্যবসায় মাল কেনার ওপর অনেক টাকা ট্যাক্স দেওয়া আছে। ইনপুট ক্রেডিট অনেকটা পাওয়া যাবে। কিন্তু সেই মাসে হয়তো এয়ার-কুলার বিক্রিই হয়নি তেমন। তার মানে? মানে, কাঁচামালের ওপর দেওয়া ট্যাক্সটা শুধু শুধু আটকে আছে। আবার ওই রাজ্যেই কন্সট্রাকশন ব্যবসাটা হয়তো রমরমিয়ে চলছে। কিন্তু  কেনাকাটার ওপর তেমন ট্যাক্স জমা হয়ে নেই। দুটো রেজিস্ট্রেশন হলে এক্ষুনি আপনাকে কন্সট্রাকশনের জি এস টি জমা করতে হবে। কিন্তু একটা রেজিস্ট্রেশন হলে কী হয়? আপনি এয়ার-কুলারের কাঁচামালের ওপর দেওয়া ট্যাক্সের ক্রেডিট নিতে পারছেন। কার সঙ্গে? কন্সট্রাকশন ব্যবসার সঙ্গে। এই হল একটা রেজিস্ট্রেশন নেবার সুবিধা।

-আমার যদি কন্সট্রাকশন ব্যবসাই ওই চারটে শহরে থাকত, এক ধরনেরই ব্যবসা, তাহলে কি চারটে আলাদা রেজিস্ট্রেশন নেওয়া যেত ম্যাম?

– না। এখানে ব্যবসা তো একটাই। একটা রাজ্যে একটা রেজিস্ট্রেশন নেওয়া যাবে। ব্রাঞ্চ যদি একের বেশি হয় তবুও।

একজন এবার বলে ওঠেন, ‘ম্যাডাম, আমার এক মক্কেল আরকিটেক্ট। পশ্চিমবঙ্গ বিহার আর উড়িষ্যায় উনি সারভিস দেন’। সঙ্গে সঙ্গে চোরা গলায় ভেসে আসে, ‘কী মশাই, নবাব সিরাজৌদ্দল্লা আপনার ক্লায়েন্ট না কি ? বাংলা বিহার উড়িষ্যার নবাবি সার্ভিসের জন্য রেজিস্ট্রেশন নিতে হল শেষে’? তিস্তা ভাবে, এরা পারেও বটে! ভদ্রলোক বিরক্ত হন, ‘আঃ চুপ করবেন, কে জি কিডস্‌-দের মতো চালিয়ে যাচ্ছেন তখন থেকে’। অমনি জবাব আসে, ‘ম্যাডাম বলেছেন, ইজি থাকতে। তাই চেষ্টা চালাচ্ছি’। ভদ্রলোক ফিক করে হেসে ফেলেই আবার কথার খেই ধরেন, ‘ ম্যাডাম, এখন সারভিস ট্যাক্সে ওনার একটাই রেজিস্ট্রেশন। এবার তাহলে ক’টা রেজিস্ট্রেশন নিতে হবে ’?

-তিনটে। জি এস টি-তে সারভিস ট্যাক্সের মতো কোনো সেন্ট্রালাইস্‌ড রেজিস্ট্রেশনের ব্যবস্থা নেই, স্যার!

-‘আচ্ছা ম্যাম, আমার মক্কেল হয়তো বছরের মাঝখানে ২০ লাখ টাকা পেরিয়ে গেল। তার রেজিস্ট্রেশন করা নেই। তখন কী হবে’? এবার ভালোমানুষের মতো মুখ করে যে ভদ্রলোক ফুট কাটছিলেন এক্ষুনি, জানতে চান। 

– খুব ভালো প্রশ্ন করেছেন আপনি। ধরুন পয়লা জুলাই তারিখে আপনার মক্কেল ২০ লাখ টাকা পেরিয়ে গেলেন। আর জুলাইয়ের ১৫ তারিখ রেজিস্ট্রেশনের আবেদন জানালেন। তাকে রেজিস্ট্রেশন দেওয়া হল ১ অগস্ট। তারিখগুলো খেয়াল করবেন কিন্তু। আবেদন কবে জানাতে হতো? ৩০ দিনের মধ্যে। যেহেতু তিনি নিয়ম মেনে ৩০ দিনের মধ্যেই আবেদন জানিয়েছেন, ১ জুলাই থেকেই তিনি কেনাকাটার ওপর দেওয়া ট্যাক্সের ক্রেডিট নিতে পারবেন।

– আর যদি তিনি অগস্টের পয়লা তারিখে আবেদন করে থাকেন?

– ভেবে দেখুন, ২০ লাখ পেরিয়ে গেছেন কবে? ১ জুলাই? তাই তো ? জুলাই মাস ক’দিনের? ৩১ দিন ? ঠিক? আবেদন করা হচ্ছে ১ অগস্ট।  ৩০ দিন তো পেরিয়ে গেছে, তাই না ?এবার যদি ধরে নিই তাকে রেজিস্ট্রেশন দেওয়া হচ্ছে অগস্টের ২০ তারিখ, তাহলে জুলাইয়ের ১ থেকে অগস্টের ১৯ অব্দি তিনি কোনো ইনপুট ক্রেডিট পাবেন না। এই না পাওয়ার মানে কিন্তু বেশ জটিল। সরাসরি তার বিক্রি বা পরিষেবার ওপর তাকে ট্যাক্স দিতে হবে। তারপরেও কমপক্ষে ১০,০০০/- টাকা পেনাল্টির বোঝা আছে। বুঝতে পারছেন তো গুরুত্বটা?

-কিন্তু ম্যাম, যদি আমি নতুন কোনো জায়গায় ব্যবসা করি কিংবা নতুন কোনো ব্যবসা করব ভাবি, একটা রেজিস্ট্রেশনেই চলে যাবে তো ? প্রশ্নটা আসে সামনের বেঞ্চি থেকে।

-আপনাকে আপনার রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট সংশোধন করে নিতে হবে। এমন কোনো ঘটনা ঘটবার ১৫ দিনের মধ্যে আপনাকে সমস্ত কাগজপত্র জমা দিয়ে  অ্যামেন্ডমেন্টের জন্য আবেদন জানাতে হবে।       

-কিন্তু ২০ লাখই বলুন আর ১০ লাখই বলুন, সেই গণ্ডিটা না পেরোলে আমি কি রেজিস্ট্রেশন নিতেই পারব না? এক ভদ্রলোক জিগ্যেস করেন। অমনি দুএকটা গলা হল-ঘরের নানান জায়গা থেকে জেগে ওঠে, ‘ কেন খাল কেটে মিছিমিছি কুমির ইনভাইট করতে চান, সাহাবাবু’? সাহাবাবু বলেন, ‘আর বোলো না ভাই, আমার এক মক্কেলের কাছে এটা একটা প্রেস্টিজ ইস্যু হয়ে দাঁড়িয়েছে। সে বলছে, “আমার বিলে জি এস টি নম্বর না থাকলে ক্লায়েন্টদের কাছে মুখ দেখাব কী করে”?

তিস্তা বলে, ‘নিজে থেকে যে-কেউ রেজিস্ট্রেশন নিতেই পারেন। তার আয় ২০ বা ১০ লাখের কম হলেও অসুবিধা নেই। কিন্তু তাকে অন্যদের মতোই সমস্ত নিয়ম মেনে চলতে হবে। তিনি ট্যাক্স আদায় করতেও পারবেন আবার তাকে ট্যাক্স জমা দিতেও হবে। সেখানে কিন্তু কোনো ছাড় নেই।

মিঃ সাহা বলেন, ‘কিন্তু সে যদি ধরুন রিটার্ন ঠিকমতো জমা না দিতে পারে, সেই ভয়টা পাচ্ছি। তাহলে কী হবে ম্যাম’?

-দেখুন মিঃ সাহা, টানা ৬ মাস হয়তো রিটার্ন জমা দিলেন না আপনার মক্কেল, কিংবা ৬ মাসের মধ্যে ব্যবসা শুরু করে উঠতেই পারলেন না। তখন ডিপার্টমেন্ট থেকেই তার রেজিস্ট্রেশন বাতিল করে দেবে। আপনার মক্কেল যদি কম্পোসিশন স্কিম নিয়ে থাকেন, তখন সময়টা কিন্তু অর্ধেক, মানে ৩ মাস। কম্পোসিশন স্কিম নিয়ে আলাদা করে বলব আর একদিন’।

-ওঃ, আমি তো ওটাই জিগ্যেস করতে যাচ্ছিলাম। যাগ্‌গে, যে কথা হচ্ছিল এক্ষুনি, নিজে থেকেই সে যদি মানে মানে বেরিয়ে আসতে চায়, সাহাদার ওই মক্কেলের কথা বলছি, তখন ? পাশ থেকে গলাটা লম্বা করে একজন প্রশ্ন করেন।

-তাও সম্ভব। তবে তাকে একটি বছর কিন্তু মুখ বুজে থাকতে হবে। তারপরে সে বেরিয়ে আসতে চাইলে চাইতে পারে। 

-ধরুন ম্যাম, আমার সার্ভিস ট্যাক্স রেজিস্ট্রেশন আছে। আমাকে আবার কি নতুন করে রেজিস্ট্রেশন নিতে হবে? কে একজন জানতে চায়।

-না। আপনার জন্য অন্য ব্যবস্থা। আপনাকে মাইগ্রেট করতে হবে। মানে সার্ভিস ট্যাক্সের দেশ থেকে জি এস টি-র দেশে ঢুকে পড়তে হবে। প্রথমে আপনাকে একটা সাময়িক রেজিস্ট্রেশন নম্বর দেওয়া হবে। সব কাগজপত্র জমা দিলে আপনার রেজিস্ট্রেশন পাকাপোক্ত হবে। 

-কাগজপত্র বলতে কী?

-আপনি যে আপনি, আপনার বাড়ি বা থাকবার জায়গা যে আপনারই থাকবার জায়গা এইসব টুকটাক কিছু প্রমাণ। ভোটার কার্ড রেশন কার্ড প্যান কার্ড সঙ্গে আপনার ছবি, আপনার ব্যবসার নির্দিষ্ট ধরন, অন্য কারোর জায়গায় ব্যবসা করলে তার অনুমতি, সাম্প্রতিক ইলেকট্রিক বা ফোনের বিল,ব্যাংকের স্টেটমেন্ট, একটা ক্যান্সেল্‌ড চেক – এইগুলো লাগবে। আপনি যদি ব্যবসার জন্য কোম্পানি খুলে থাকেন তাহলে তার মেমরান্ডাম অফ অ্যাসসিয়েশন, বোর্ড রেসলিউশন, রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট, এইসবগুলো বাড়তি লাগবে।  তিস্তা জানায়।

-‘ঠিকুজিকোষ্ঠী সব জমা দিতে হবে? কেন, আমাদের অপরাধটা কী’, এ-কথা একজন বলতেই আগের সেই সরেস ভদ্রলোক প্রম্পট রিপ্লাই দেন, ‘সে কী মিঃ কিসকু ,  ব্যবসায় আপনি ফাউল করলে আপনার বাড়ি গিয়ে লাল কার্ড দেখিয়ে আসতে হবে না’?

মিঃ কিসকুই আবার জিজ্ঞেস করেন, ‘কিন্তু ম্যাম, মাইগ্রেট করার পর আমি যদি দেখি ২০ লাখের অনেক কম আমার ব্যবসা, সামনের তিন চার বছরে ২০লাখে পৌছনোও দূরস্থ, তখন কি আমি বেরিয়ে আসতে পারব না’?

-পারবেন। আপনাকে আবেদন করতে হবে। ক’দিনের মধ্যে করতে হবে এখনও সেই ছবিটা কিন্তু পরিষ্কার নয়। তিস্তা বলে।   

 একজন একেবারে পিছন থেকে হাত তুলে বলল, ‘ম্যাডাম, একটা প্রশ্ন করা যায়’?

-বলুন না, আপনার কী জানবার আছে? তিস্তা হাসিমুখে জবাব দেয়।

-‘২০ লাখ ২০ লাখ খুব তো সবাই বলছি। এর মধ্যে কী-যে প্যাঁচঘোচ আছে, ভগবানই জানেন। আপনি বলুন না ম্যাডাম, ২০ লাখ বলতে কী বুঝব’? সঙ্গে সঙ্গে ভদ্রলোকের পাশে যারা বসেছিলেন বাধা দিয়ে বলে ওঠেন, ‘ছাড়ুন তো মশাই। হাতি-ঘোড়া কী আবার থাকবে এর মধ্যে? ২০ লাখ হল ২০ লাখ। মেক ইট সিম্পল। বিল যোগ করে করে দেখে নিন। ব্যাস্‌, মিটে গেল’।

তিস্তা বলে, ‘আছে আছে, হাতি-ঘোড়া অনেক কিছু আছে। ধরুন আপনার ব্যবসার পাশাপাশি আপনার চাষের জমিও আছে। আলুর ফলন হয়তো খুব ভালো হল কোনোবার। চার-পাঁচ লাখ টাকার আলু বিক্রি করলেন। সেটাও কিন্তু ওই ২০ লাখের ভিতরেই থাকবে। দেশের বাইরে মাল পাঠিয়েছেন ? সেটাও যোগ করুন। এবার ধরুন আপনার প্যান নম্বরে এই রাজ্যে যেমন অন্য কোনো রাজ্যেও ব্যবসা করেছেন।  সব কিন্তু যোগ করে দেখতে হবে ২০ লাখ পেরিয়ে গেল কি না।’।

-প্যান নম্বর থাকতেই হবে?

-হ্যাঁ, প্যান নম্বর থাকতেই হবে। না থাকলে আপনি জি এস টি-তে রেজিস্ট্রেশন নিতেই পারবেন না।

একজন ভারিক্কি মতো মেম্বার অনেকক্ষণ কিছু বলবেন বলে উশখুশ করছেন কিন্তু কোনো কারণে বলে উঠতে পারছেন না। তিস্তা নেমে তার কাছে যায়, ‘আপনি কি কিছু বলবেন’? ভদ্রলোক একেবারে কুঁচকে যান যেন, ‘ না না, তেমন কিছু না। আসলে ম্যাম, ভাবছিলাম প্রশ্নটা করলে খুব বোকা বোকা শোনাবে’। তিস্তা অভয় দেয়, ‘কিচ্ছু বোকা বোকা হবে না। বলুন প্লিজ’। ভদ্রলোক তখন কোনোমতে বলেন, ‘ভাবছিলাম, আমার এক মক্কেল ইঞ্জিনিয়ারিং কনসালটেন্ট। তিনি রেলের অনেক কাজ করেন। রেল আবার ইনকাম ট্যাক্স ছাড়াও কিছু ইন্ডিরেক্ট ট্যাক্সও কেটে নেয়। তাই ভাবছিলাম, সরকারি সংস্থাকে কি, জি এস টি রেজিস্ট্রেশন নিতে হবে। না কি তাদের ছাড় আছে’?

তিস্তা বলে, ‘দেখেছেন তো, এত গুরুত্বপূর্ণ একটা কথা আপনি বলতেই চাইছিলেন না। বেশ, উত্তরটা বলছি আমি। যে-সব সরকারি সংস্থা টি ডি এস কাটবে, তাদের রেজিস্ট্রেশন নিতেই হবে। যাদের টি ডি এস কাটবার ঝক্কি নেই, তারা পাবে ইউনিক আইডেন্টিফিকেশন নাম্বার’।

-ধ্যুস্‌, এভাবে ব্যবসা করা যায় না কি? সবকটা এবার বানপ্রস্থে যাবে, বুঝলি। এক ভদ্রলোক হাহুতাশ করতে করতে পাশের ভদ্রলোককে বলেন, তারপর তিস্তার দিকে তাকিয়ে, ‘জি এস টি এলে ছেলেপুলেদের টাটে বসিয়ে ব্যবসায়ীরা সব গণ রিটায়ারমেন্ট নিয়ে নেবে ম্যাডাম,এই আমি বলে দিচ্ছি। স্রেফ পেরে উঠবে না। আমি অন্তত আমার মক্কেলদের সেই বুদ্ধিটাই দেব’।

তিস্তা হাসিমুখে জবাব দেয়, ‘উত্তরসূরী-রা স্বাগত। কিন্তু একটা কথা, বাবার নামে এক-মালিকানা ব্যবসা হাতে চলে এলেই হবে না, ছেলেমেয়েদের কিন্তু তাদের প্যান কার্ড দিয়ে আবার সেই নতুন করে রেজিস্ট্রেশন নিতে হবে।

-সত্য সেলুকাস কী বিচিত্র এই দেশ!

আরে আরে ! সেই রসিক ভদ্রলোকের গলা না? সেই যে, তিস্তার অনুরোধ ফেলতে না পেরে যিনি ‘ইজি’ থাকবার দারুণ চেষ্টা করে যাচ্ছেন!


Students’ Corner:
  • A person having multiple business verticals in one State may obtain separate registrations for each of the business vertical.
  • If registered taxable person transfers business on account of succession or otherwise, to another person, the transferee/ successor etc shall be liable to be registered.
  • Every person, under compulsory registration /voluntary Registration shall have a Permanent Account Number (PAN).
  • GST allows multiple registrations within a State for business verticals of a taxable person.
  • Aggregate turnover’ means ‘Value of all (taxable supplies + Exempt supplies + Exports) – (Taxes + Value of inward supplies + Value of inward supplies taxable under reverse charge) of a person having the same PAN (i.e., across India).

ডিসক্লেইমার – কোনো পেশাদারি বা বাণিজ্যিক সিদ্ধান্ত নেবার আগে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

তথ্যসূচি –
  • রিভাইস্‌ড মডেল জি এস টি আইন। এফ এ কিউ এবং এম সি কিউ
  • ড্রাফট মডেল সি জি এস টি, এস জি এস টি এবং আই জি এস টি আই, ব্যাকগ্রাউন্ড মেটেরিয়াল অন রিভাইস্‌ড মডেল জিএসটি ল।

 

To the Writter

* indicates required field
                                                                                                          পরের প্রবন্ধ GST  OVERVIEW, LEVY, RATE etc


 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *